
কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও বিনা অনুমতিতে দেশ ত্যাগ করায় বাবুগঞ্জ সরকারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষক রনজীৎ কুমার বাড়ৈকে কারণ দর্শাবার নোটিশ প্রদান করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আমীনুল ইসলাম।
অনুমতি ব্যতিরেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ও বিনা অনুমতিতে দেশত্যাগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষককে পত্র প্রাপ্তির ৩ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে।
গত ২৩ ডিসেম্বর এ নোটিশ প্রদান করেছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
নোটিশে বলা হয় গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ হতে অব্যাহতভাবে অনুমোদিত ছুটি ব্যতিরেকে প্রধান শিক্ষক কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
এতে ২০২২ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভর্তিসহ গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কর্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অর্থাৎ সরকারি অনুমোদন ছাড়াই বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে ভারতে গমন করেছেন এবং সেখানে অবস্থান করছেন। তার দুটি মোবাইল নাম্বারই বন্ধ রয়েছে এতে বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক, কর্মচারী কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদানপ্রদান করতে সক্ষম হচ্ছেন না।
তার এমন কার্যকলাপ সরকারি কর্মচারী(শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ২(খ)(চ), গণকর্মচারী(আচরণ)বিধিমালা, ১৯৭৯ ও প্রচলিত অন্যান্য আইন এবং বিধি বিধান মোতাবেক অসদাচরণ ও পলায়ন এর সামিল বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
সেমতে উল্লেখিত ধারার আওতায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে কেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপরিশ করা হবে না তার সন্তোষজনক জবাব পত্র প্রাপ্তির তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রধান শিক্ষকের জাতীয় পরিচয় পত্র এবং পাসপোর্টের সকল পাতার ফটোকপিসহ বিনা ব্যর্থতায় দাখিল নিশ্চত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। স্মারক নং-০৫.১০.০৬০৩.০০১.২৩.০০১.২১-১১৬৩ যার অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রনজিৎ কুমার বাড়ৈ এর মোবাইল নাম্বারে বারবার কল দেয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে প্রেরিত নোটিশ প্রধান শিক্ষক হাতে পেয়েছেন কি তা নিশ্চিৎ নন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আমীনুল ইসলাম।