১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি| সন্ধ্যা ৭:৩৩| গ্রীষ্মকাল|
Title :
পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশ, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোডিং বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার: নাগরপুরে সাংগঠনিক পদ ফিরে পেলেন বিএনপি নেতা মোঃ রফিজ উদ্দিন নাগরপুরে প্রাথমিক গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের জাঁকজমকপূর্ণ সমাপ্তি শরীয়তপুরে আতাউর রহমান খান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি নাগরপুরে তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন, দুর্ভোগ চরমে নাগরপুর সদর ইউনিয়নে পুনর্বহাল কুদরত আলী: মানবতার চেয়ারম্যান ফিরলেন ক্ষমতার আসনে এমপির নির্দেশনায় নাগরপুরে ছাত্রদলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, অভিভাবকদের হাতে পানীয় আপত্তিকর মন্তব্য মুছে ফেললেও রইল প্রমাণ: সাবেক কর্মকর্তার মন্তব্যে তোলপাড়, স্ক্রিনশট ঘিরে আলোচনা সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন এ্যাড. শওকত আরা আক্তার (উর্মি) তারেক রহমানকে নিয়ে রাশেদ প্রধানের কটূক্তির প্রতিবাদে: শরীয়তপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে ফাহিমা আক্তার মুকুলকে দেখতে চান শরীয়তপুরের জনগণ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, মার্চ ৬, ২০২৬,
  • 90 Time View

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনের নেতৃত্বে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা ও নারীনেত্রী ফাহিমা আক্তার মুকুলকে দেখতে চান স্থানীয় জনগণ। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে ইতোমধ্যে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি, ফাহিমা আক্তার মুকুল শরীয়তপুর জেলার সন্তান; একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী সাবেক ছাত্রনেত্রী। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি জেলার নানামুখী কর্মের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখার কারণে তিনি এ আসনের জন্য একজন যোগ্য এমপি প্রার্থী হতে পারেন।

জানা গেছে, ফাহিমা আক্তার মুকুল দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা শহরের অন্যতম স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রদলের দুই বার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া সদস্য ও সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটিতে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী হিসেবে ফরিদপুর বিভাগের ছাত্রদলের টিম মেম্বার ও শরীয়তপুর জেলা ছাত্রদলের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেছেন। শরীয়তপুর, মাদারীপুর ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ী জেলার ছাত্রদল কে সুসংগঠিত করার জন্য টিম মেম্বারদের নিয়ে কাজ করার সময় বিভাগের অন্যান্য জেলার ন্যায় শরীয়তপুর জেলার জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার সাংগঠনিক কার্যকর্মের দৃঢ়তা ও শ্রুতিমধুর কন্ঠের গঠনমূলক বক্তব্য ফরিদপুর বিভাগ বাসীদেরকে বিমোহিত করেছিলো।তৎকালীন সময়ে থেকে তিনি শরীয়তপুরবাসীর নজর কেরে নিয়েছিল এবং তখন থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে নিয়ে এই গুঞ্জন শুরু হয়, যে ভবিষ্যতে শরীয়তপুর জেলায় এই মুকুল নেতৃত্বে আসতে পারবে, অবস্থান গড়তে পারবে। শরীয়তপুরের গর্ব এই নেত্রী ছাত্রদল শেষে যুক্ত হন মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বিএনপি ও মহিলাদলের ডাকে বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। ছাত্ররাজনীতির সময় থেকেই তিনি সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

স্থানীয় অনেক রাজনৈতিক কর্মী জানান, শরীয়তপুরের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে তরুণ, শিক্ষিত ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দের কাছে পরিচিত একজন জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে ফাহিমা আক্তার মুকুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তারা মনে করেন। তাদের মতে, তিনি যদি সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পান, তাহলে এলাকার উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ফাহিমা আক্তার মুকুল কে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সংসদে গেলে নারীদের শিক্ষা, অধিকার ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

এ বিষয়ে ফাহিমা আক্তার মুকুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চান এবং দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান।

এব্যাপারে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, দলীয় কার্যক্রম, সামাজিক উদ্যোগ এবং তৃণমূল পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পেলে তিনি জেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শরীয়তপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নতুন ও সক্রিয় নেতৃত্ব সামনে এলে রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। আর সেই জায়গায় ফাহিমা আক্তার মুকুলের নাম ইতোমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, সাবেক ছাত্রদল নেত্রী ফাহিমা আক্তার মুকুল; কভিট ভাইরাস করোনা কালীন সময় প্রায় তিনটি বছর বিশ্ববাসী যখন ঘরবন্দী হয়ে জীবন যাপন করছিলো তখন নিজ দলীয় নেতা কর্মীদেরকে উজ্জীবিত রাখার জন্য প্রথমে ব্যক্তিগতভাবে ও পরে মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ভার্চুয়াল প্রোগ্রামের আয়োজন করে দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। জুম মিটিং রুমে ভার্চুয়ালি মহিলা দলের নির্ধারিত প্রোগ্রাম আয়োজনের পাশাপাশি সাবেক সংগঠন ছাত্রদলের নেতাকর্মীদেরকে সংগঠিত করার জন্য দেশের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন জেলার ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহে একটি করে ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করতেন। শরীয়তপুর জেলার ছাত্রদলের সাবেক বর্তমান নেতৃবৃন্দদের নিয়েও তখন তিনি সভা করেছিলেন। তার আয়োজিত এই সভা গুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকতে দেখা গিয়েছে স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্যদের এবং বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের। শরীয়তপুরে জন্ম নেওয়া এই বিচক্ষণ মুকুল করোনা কালীন লকডাউনের সময় সাংগঠনিক তৎপরতা দেখিয়ে দল ও দেশবাসীর কাছে থেকে ভূয়সী প্রশংসা কুড়ান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category