• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
Headline
বাংলাদেশের ২৩তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু নাগরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি পালিত নাগরপুর নঙ্গিনাবাড়িতে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করলেন নাগরপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মোস্তফা গোলাম স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সফলতা কামনা করেছেন বিএনপি নেতা মোঃ মাইনুল আলম খান কনক কক্সবাজারে বিটিএসএফ উপদেষ্টা এ্যাড. শাহিদা রহমান রিংকু’কে বিটিএসএফ নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সফলতা কামনা করেছেন নাগরপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জিহাদ হোসেন ডিপটি নাগরপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলনে আপষহীন নেতৃত্বের প্রতীক- মোঃ মাইনুল আলম খান কনক

বাংলাদেশের ২৩তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ভোটের মাধ্যমে ফয়সালা হলো কে হবেন দেশের রাষ্ট্রপতি। নির্বাচনে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ক্ষমতাসীন দল বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শুরু হয় দুপুর ২টায় এবং শেষ হয় বিকেল ৫টায়।

নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন দুইজন— বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট সমর্থিত এলডিপি প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

তাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট এবং কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পেয়েছেন।

এই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন, যাদের প্রত্যেকেই সংসদ সদস্য। তাদের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন এই নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদে তাদের নির্ধারিত আসনে বসে ছিলেন এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ২০ জন কর্মকর্তা তাদের সহায়তা করেছেন ও ব্যালট পেপার সরবরাহ করেন। সংসদ সদস্যরা তিনটি স্বচ্ছ বাক্সে তাদের ব্যালট ফেলেছেন।

এক নজরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

ছাত্রাবস্থায় ১৯৬০-এর দশকে পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র সংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে (ইপিএসইউ) যোগ দেন এবং সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এসএম হল ইউনিটের মহাসচিব নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানকালে তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হন। রাজনৈতিক কারণে তাকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানো হয়।

মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (শিক্ষা ক্যাডার) সদস্য হিসেবে ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেছেন।

১৯৮৬ সালে তিনি সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে দেশব্যাপী এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় মির্জা ফখরুল বিএনপিতে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালে তাকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়।

২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিএনপির ৫ম জাতীয় কাউন্সিলে মির্জা ফখরুলকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত করা হয়। এরপর ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে পাঁচ বছর দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-০১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০১ ও ২০২৬ সালের নির্বাচনেও একই আসন থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও শপথ গ্রহণ করেননি।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। এই দম্পতির দুই মেয়ে মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি ঠাকুরগাঁও নির্বাচনী এলাকা থেকে বেশ কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং বাংলাদেশ সরকারের কৃষিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

এর আগে সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। ওই সময় বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বদরুল হায়দার চৌধুরী।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট এবং ১৭২ ভোট পেয়ে ১১তম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা