• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
Headline
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখতে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত; ৩-০ গোলে আর্জেন্টিনার জয় মানবতার অনুপ্রেরণার প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন নাগরপুরে স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রজেক্ট প্রদর্শন: ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নাগরপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন নজরুল ইসলাম আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নাগরপুরে গুরুত্বপূর্ণ মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যে আরাফাত রহমান কোকো মেম‍োরিয়াল ট্রাস্টের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি জননেতা মোঃ মাইনুল আলম খান কনক নাগরপুরে বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দক্ষ নেতৃত্বের স্বীকৃতি, ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক শরীফা হক

বংশগত হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন যারা…

Reporter Name / ৫০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮

বংশগত কারণে হৃদরোগের সমস্যা অনেক মানুষকেই বয়ে বেড়াতে হয়। জেনেটিক কারণে একটি পরিবারের যখন হৃদরোগের ঝুঁকি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তখন নিরাপদ থাকার উপায় আছে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের জার্নাল সার্কুলেশনের এক গবেষণায় বলা হয়, মুষ্ঠিকে দৃঢ়করণ, শারীরিক পরিশ্রম এবং উন্নত কার্ডিও ও রেসপাইরেটরি ফিটনেস মানুষকে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিস স্কুল অব মেডিসিন এর মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর এবং প্রধান গবেষক এরিক ইনগেলসন বলেন, এখানে আসল বিষয়টা হলো, শারীরিক শ্রম আসলে মানুষকে হৃদরোগের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে পারে।

গবেষণায় উপসংহার টানতে বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের বায়োব্যাংক ডেটাবেজ থেকে ৫ লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করেন। এ গবেষণায় বেশ কিছু মানুষ অংশ নেন। এরা সবাই বংশগতভাবে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিসের ঝুঁকিতে রয়েছেন। দেখা গেছে, কাজ বা ব্যায়াম করে যারা বজ্রমুষ্ঠির অধিকারী হয়েছেন তাদের করোনারি হার্ট ডিজিসের ঝুঁকি ৩৬ শতাংশ কম। পাশাপাশি অ্যাটরিয়াল ফিব্রিলেশনের ঝুঁকিও তাদের ৪৬ শতাংশ কমে আসে। অন্যদিকে, দুর্বলদের ঝুঁকি অনেকটা বেশি।

গবেষক বলেন, আসলে আমাদের গবেষণার মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকিমুক্ত থাকতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যায়াম বা কায়িকশ্রমের কথা বলা হচ্ছে না। তবে এর মাধ্যমে যে সংশ্লিষ্ট রোগ থেকে দূরে থাকা যায় তা নিশ্চিত বোঝা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা