• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
Headline
নাগরপুরে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত নাগরপুরের নন্দপাড়ায় নদীভাঙন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ছুটে গেলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ রবিউল আওয়াল লাভলু নাগরপুরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হলো জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ সারাংপুর বিলাতেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মীর আবুল কালাম আজাদ রতন এর সভাপতিত্বে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত নাগরপুরে উপজেলা ও কলেজ ছাত্র দলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো স্থানীয় সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা এবং সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদল নেতৃবৃন্দদের পুনর্মিলনী-২০২৬ নাগরপুরের ভাদ্রা ইউনিয়নে যুব জামায়াতের বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত  নাগরপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে যুব বিভাগের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত নাগরপুর-দেলদুয়ারের বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে সক্রিয় এমপি রবিউল আওয়াল লাভলু নাগরপুরে বিষাক্ত পানি পানে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে এমপি রবিউল আওয়াল লাভলু নাগরপুরে মামুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলের পানি পান করে ৩৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ, ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায়, সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name / ১৪৮ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

আজ ৭ জুন’২৬ রবিবার বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। মাত্র চার মিনিটের মধ্যে রায় ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় এবং বেলা ১১টা ৪১ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

এই নৃশংস ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে উঠে আসে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাস্থলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় ওই বাসার বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে পল্লবী থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া ঘটনার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায়, গত ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। একই দিনে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়।

তবে ঈদুল আযহার সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয় ১ জুন। ওইদিন আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেন। পরদিন ২ জুন মামলার ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন নিহত রামিসার বাবা-মা, বোন, স্বজন এবং তদন্ত সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

এরপর ৩ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং ৪ জুন মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই আদালত আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের রায়ে শিশু রামিসার পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। একইসঙ্গে দ্রুত তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং স্বল্প সময়ে রায় ঘোষণার বিষয়টি দেশের বিচার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা