নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সমাজের সবচেয়ে অসহায় একজন নারীর ওপর এমন নৃশংস ঘটনার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের কাজীর-পাচুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই গ্রামের আবুল হাসেমের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কন্যা। ঘটনার পর তার মা রোজিনা বেগম বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে রোজিনা বেগম তার প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে বাড়ির পাশের ধানের খোলায় কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে মেয়েটি ধান নিয়ে বাড়ির দিকে যায়। পরে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ফিরে না আসায় উদ্বিগ্ন মা তাকে খুঁজতে বের হন। বাড়ির পাশের একটি জমির আইলে গিয়ে তিনি প্রতিবেশী সাজ্জাদের ছেলে মো. শাকিব (২২) তার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতে দেখেন। বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, মেয়েটির মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিয়েই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তারা দ্রুত অভিযুক্তের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় নাগরপুর জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে মানবিক মূল্যবোধ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।
নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক মো. নাজমুল ইসলাম জানান- ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন- অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।