৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি| রাত ৯:০৩| গ্রীষ্মকাল|
Title :
তারেক রহমানকে নিয়ে রাশেদ প্রধানের কটূক্তির প্রতিবাদে: শরীয়তপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা টাঙ্গাইলে কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’-প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে নতুন দিগন্তের সূচনা রঙিন শোভাযাত্রায় জেগে উঠল নাগরপুর, ছড়িয়ে পড়ল বৈশাখের আমেজ বাংলা নববর্ষ একটি বর্ষবরণ উৎসব নয়, বরং বাঙালির আত্মপরিচয়- মোঃ মাইনুল আলম খান কনক বাংলা নববর্ষ আমাদের লোকজ সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ- জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক শরীয়তপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনায় ‘রাজপথের অগ্নিকন্যা’ ফাহিমা আক্তার মুকুল নাগরপুরে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে ধুবড়িয়া ছেফাতুউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের বাজিমাত- শিক্ষার্থী সামিয়া আক্তারের প্রথম স্থান অর্জন সৃজনশীলতার দারুণ প্রদর্শনী: নাগরপুরে শুরু হলো ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান মেলা নাগরপুরে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর পদক্ষেপ: সন্ধ্যা সাতটায় শপিংমল-দোকান বন্ধের নির্দেশনা নাগরপুরে মেধার লড়াইয়ে শীর্ষে উঠে এলো শহীদ ক্যাডেট স্কুল, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর উচ্ছ্বাস

গোবিন্দগঞ্জের প্রাচীন বর্ধন কুঠির ইতিহাস জানেন কি?

মোঃ হারুন মিয়া,স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা।
  • Update Time : শনিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২১,
  • 480 Time View

মোঃ হারুন মিয়া,স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা।

#গাইবান্ধা_জেলার_পর্যটন_সম্ভাবনা
পলাশবাড়ীর খবর, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।

গাইবান্ধা জেলায় ঐতিহাসিক নিদর্শনের সংখ্যা খুব বেশি নয়। আর ভূতত্ত্বের দিক থেকেও যে এ এলাকা খুব প্রাচীন তাও নয়। জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অন্যতম একটি ঐতিহাসিক স্থানের নাম বর্ধন কুঠি। প্রাচীন বর্ধন কুঠি ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সোনালী উপাদান হয়ে আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে।

বহু প্রাচীন কাল থেকেই বর্ধন কুঠি তৎকালীন রাজা বাদশাদের গূরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ইউনিট ছিল। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে বর্ধনকুঠির শাসক ছিলেন রাজা হরিনাথ। পরে ভারতীয় উপমহাদেশ যখন বিভক্তি হয় সে সময় বর্ধনকুঠির সর্বশেষ রাজা শৈলেশ চন্দ্র ভারতে চলে যান।
বর্ধন কুঠির প্রাচীন নাম বর্ধন কোট ছিল। এই ঐতিহাসিক স্থানের নাম বর্ধন কোট থেকে সময়ের পরিক্রমায় পরিবর্তিত হয়ে বর্ধন কুঠি হয়েছে। বহুকাল পূর্বে এই স্থানে বর্ধন নামের একজন শক্তিধর নরপতি বসবাস করতেন এবং তার নামানুসারে এই স্থানের নাম রাখা হয় বর্ধনকোট। আবার ভিন্ন মত অনুসারে, একসময় সেই স্থানে শক্তিধর বর্ধন বংশের কোনো উত্তরসুরী এসে স্থায়ী বসবাস শুরু করেন, আর সেই সময় তাদের বংশীয় নামের ধারা বজায় রেখে তা বর্ধন কুঠি নামে পরিচিতি লাভ করে।

এক সময় ইদ্রাকপুর পরগানা অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সদর দফতর ছিলো এই বর্ধন কুঠি। চতুদর্শ শতকের শেষের সময় রাজা রাজেন্দ্র নারায়ণ থেকে আর্যাবর পর্যন্ত মোট ১৪৪ জন রাজা বর্ধনকুঠি রাজ্যের শাসন করেছেন। ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম দিকের সময়ে অর্থাৎ ১৬০১ সালে রাজা আর্যাবরের পুত্র রাজা ভগবান ১৬০১ সালে বর্ধন কুঠির পাশাপাশি রামপুরের বাসুদেব মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। পরে ইংরেজদের শাসন আমলে বর্ধন কুঠি জমিদার বাড়ী হিসেবে খ্যাতি পায়।

বর্ধন কুঠিতে কাছাকাছি বেশ কয়েকটি ভবন রয়েছে, যার বেশিরভাগই দ্বিতল বিশিষ্ট। এখানকার বেশিরভাগ ভবনগুলি ঝুঁকিপূর্ণ। তিনটি ভবনে মোটামুটি প্রবেশ করা যায়। বাকিগুলো একেবারেই প্রবেশের অযোগ্য। ভবনগুলোর ছাদ নির্মাণে মূলত ইটের খিলান ব্যবহার করা হয়েছে। দরজাগুলোও খিলান আকৃতির। একটি মাত্র ভবনে জানালা রয়েছে। তবে জানালা বিহীন একটি কক্ষে গম্বুজাকৃতির একটি বায়ুরন্দ্র চোখে পরে।

১৯৬৫ সালে এই স্থানে গোবিন্দগঞ্জ কলেজ স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে কলেজের ক্যাম্পাস ক্রমবিস্তার ও বিভিন্ন কারণে উঁচু বর্ধন কুঠিরের প্রাচীন ভবনগুলো এখন প্রায় ধ্বংস পথে।

যেভাবে যাবেন:গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পৌঁছে সেখান থেকে রিকশায় করে বর্ধনকুঠিতে পৌঁছানো যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category