২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি| রাত ৩:৫৮| বসন্তকাল|
Title :
নাগরপুরে জামিয়া কারীমিয়া আকবারিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গণহত্যা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে নাগরপুরে প্রস্তুতিমূলক সভা লীলা কীর্তনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির ৬৪তম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান নাগরপুর সরকারি কলেজে কর্মচারীদের মাঝে ছাত্রশিবিরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের নাগরপুরে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বেকড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নাগরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুর রহমান ঝন্টু এর উদ্যোগে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে ফাহিমা আক্তার মুকুলকে দেখতে চান শরীয়তপুরের জনগণ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য হলেন জননেতা মোঃ মাইনুল আলম খান কনক

লগি-বৈঠা তাণ্ডবে রক্তাক্ত ভয়াল স্মৃতিতে ২৮ অক্টোবর

কাজী মোস্তফা রুমি:
  • Update Time : সোমবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৪,
  • 103 Time View

কাজী মোস্তফা রুমি: লগি-বৈঠা তাণ্ডবে রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর আজ। আওয়ামী লীগ ২০০৬ সালের এই দিনে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় প্রকাশ্যে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতা-কর্মীকে হত্যা করে। বিএনপি-জামায়াতের দাবি, একদলীয় শাসনের গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সেদিন রাজপথে তাণ্ডব চালায় আওয়ামী লীগ।

রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার পর সেই লাশের ওপর নৃত্যের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসে একটি অন্যতম নৃশংস ঘটনা। যা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠে দেশে-বিদেশে। তবে বিষয়টি হঠাৎ করে ঘটেনি। লগি-বৈঠা নিয়ে রাজপথে এসে প্রতিপক্ষকে দমনের ঘোষণা ছিল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের।

লগি-বৈঠার তাণ্ডব ছাড়াও রাজধানীর পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দিনব্যাপী চলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।

এসব ঘটনায় মামলা হলেও ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর মামলা প্রত্যাহার করা হয়।

আইন অনুযায়ী যেকোন হত্যা মামলা বাদীর সম্মতি ছাড়া প্রত্যাহার করার সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও মহাজোট সরকার তাই করেছে। আইন বিশেষজ্ঞগণ বলছেন,কোন হত্যাকান্ডের মামলাই রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করার সুযোগ নেই। যদি কোন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত করা হয়েও থাকে তদন্ত শেষে আদালতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

মামলা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে বিচার পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেয়া হলো। এর মধ্য দিয়ে অপরাধীরাই উৎসাহিত হয়। ২৮ অক্টোবরের পৈশাচিকতা বিশ্ব বিবেককে আঘাত দিয়েছে। নাড়া দিয়েছে বিবেকবান সকল মানুষকে। রাজনৈতিক সমাবেশ ভন্ডুল করার জন্য প্রকাশ্য দিবালোকে এভাবে সাপের মতো পিটিয়ে মানুষ হত্যার ঘটনা বিরল। যা এখনো হাজার হাজার মানুষকে কাঁদায়। এ লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের বিচার না হওয়ায় একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে- ২৮ অক্টোবরের ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

২৮ অক্টোবরে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। দেশ ও জাতির স্বার্থেই এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন, দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নেপথ্য নায়কদের খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category