৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি| বিকাল ৫:৫৫| গ্রীষ্মকাল|
Title :
টাঙ্গাইলে কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’-প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে নতুন দিগন্তের সূচনা রঙিন শোভাযাত্রায় জেগে উঠল নাগরপুর, ছড়িয়ে পড়ল বৈশাখের আমেজ বাংলা নববর্ষ একটি বর্ষবরণ উৎসব নয়, বরং বাঙালির আত্মপরিচয়- মোঃ মাইনুল আলম খান কনক বাংলা নববর্ষ আমাদের লোকজ সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ- জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক শরীয়তপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনায় ‘রাজপথের অগ্নিকন্যা’ ফাহিমা আক্তার মুকুল নাগরপুরে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে ধুবড়িয়া ছেফাতুউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের বাজিমাত- শিক্ষার্থী সামিয়া আক্তারের প্রথম স্থান অর্জন সৃজনশীলতার দারুণ প্রদর্শনী: নাগরপুরে শুরু হলো ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান মেলা নাগরপুরে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর পদক্ষেপ: সন্ধ্যা সাতটায় শপিংমল-দোকান বন্ধের নির্দেশনা নাগরপুরে মেধার লড়াইয়ে শীর্ষে উঠে এলো শহীদ ক্যাডেট স্কুল, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর উচ্ছ্বাস নাগরপুরে ২২ পিস ইয়াবাসহ দুই সহোদর গ্রেফতার

নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়িতে ৬৪ তম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান শুরু

কাজী মোস্তফা রুমি
  • Update Time : মঙ্গলবার, মার্চ ৩, ২০২৬,
  • 105 Time View

কাজী মোস্তফা রুমি: কলিহত জীবের দুঃখ মোচন ও শান্তি অর্জনের একমাত্র উপায় হরিনাম সংকীর্তন।

এরই ধারাবাহিকতায় নাগরপুরের ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি প্রাঙ্গণে শ্রীহরির নৃত্যধামে নিরন্তর যে সুদামৃতের সুরধ্বনি উৎসারিত হয় সেই পারমার্থিব সুরমঞ্জুরীর আবাহন কল্পে ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার মানসে বিশ্বের সকল জীবের শান্তি, মঙ্গল ও কল্যাণ কামনায় আজ ৩ মার্চ’২৬ রোজ মঙ্গলবার ভোর ৬:০০ ঘটিকা হতে ঐতিহ্যবাহী আট দিনব্যাপী ৬৪তম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও লীলা কীর্তন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে, যা লীলা কীর্তনের মাধ্যমে আগামী ১১ মার্চ’২৬ ভোর ৬:০০ ঘটিকায় শেষ হবে।

নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির উৎসব পরিচালনা কমিটির সম্পাদক শ্রী রামেন্দ্র সুন্দর বোস এর সাথে গণমাধ্যমের কথা হয়।

তিনি গণমাধ্যমকে জানান- দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়িতে এই মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এতে নাগরপুর তথা সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে। এটা বর্তমানে নাগরপুরের একটি ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এখানে সাতদিন ব্যাপী বিরতিহীনভাবে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের নাম সুধা পরিবেশন হবে। এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা হতে বিখ্যাত নাম সুধা পরিবেশনকারী সম্প্রদায়গুলো নাম সুধা পরিবেশন করবেন।

শেষের দিন বাংলাদেশের বিখ্যাত লীলা কীর্তন পরিবেশনকারীরা লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন।

বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুধীজন ও সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অনুদানের মাধ্যমে আমাদের এই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

আমি কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি উৎসব পরিচালনা কমিটির পক্ষ হতে আমাদের এই অনুষ্ঠানটিকে সুন্দর ও সাফল্যমন্ডিত করার জন্য আপনাদের সকল প্রকার সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category