১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি| সকাল ৯:০৮| বসন্তকাল|
Title :
নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য হলেন জননেতা মোঃ মাইনুল আলম খান কনক নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়িতে ৬৪ তম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান শুরু শরীয়তপুর-৩ আসনের এমপি নুরুদ্দিন অপু জাতীয় সংসদের হুইপ হওয়ায় জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎ এর অভিনন্দন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ অনুষ্ঠানে জননেতা মাইনুল আলম খান (কনক)-এর উপস্থিতি বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক ফোরাম (বিটিএসএফ)-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আসন্ন নাগরপুর মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি পদপ্রার্থী হলেন মো. মাহফুজুর রহমান (বানিজ) নাগরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডের দুয়াজানী এলাকার মেম্বার পদে ইঞ্জি. মো. তরিকুল ইসলামের প্রার্থীতা ঘোষণা নবনিযুক্ত ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে অভিনন্দন জানালেন মীর আবুল কালাম আজাদ রতন না ফেরার দেশে টাঙ্গাইল-৮ আসনের সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম

নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়িতে ৬৪ তম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান শুরু

কাজী মোস্তফা রুমি
  • Update Time : মঙ্গলবার, মার্চ ৩, ২০২৬,
  • 45 Time View

কাজী মোস্তফা রুমি: কলিহত জীবের দুঃখ মোচন ও শান্তি অর্জনের একমাত্র উপায় হরিনাম সংকীর্তন।

এরই ধারাবাহিকতায় নাগরপুরের ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি প্রাঙ্গণে শ্রীহরির নৃত্যধামে নিরন্তর যে সুদামৃতের সুরধ্বনি উৎসারিত হয় সেই পারমার্থিব সুরমঞ্জুরীর আবাহন কল্পে ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার মানসে বিশ্বের সকল জীবের শান্তি, মঙ্গল ও কল্যাণ কামনায় আজ ৩ মার্চ’২৬ রোজ মঙ্গলবার ভোর ৬:০০ ঘটিকা হতে ঐতিহ্যবাহী আট দিনব্যাপী ৬৪তম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও লীলা কীর্তন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে, যা লীলা কীর্তনের মাধ্যমে আগামী ১১ মার্চ’২৬ ভোর ৬:০০ ঘটিকায় শেষ হবে।

নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির উৎসব পরিচালনা কমিটির সম্পাদক শ্রী রামেন্দ্র সুন্দর বোস এর সাথে গণমাধ্যমের কথা হয়।

তিনি গণমাধ্যমকে জানান- দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়িতে এই মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এতে নাগরপুর তথা সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে। এটা বর্তমানে নাগরপুরের একটি ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এখানে সাতদিন ব্যাপী বিরতিহীনভাবে ভগবান শ্রী কৃষ্ণের নাম সুধা পরিবেশন হবে। এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা হতে বিখ্যাত নাম সুধা পরিবেশনকারী সম্প্রদায়গুলো নাম সুধা পরিবেশন করবেন।

শেষের দিন বাংলাদেশের বিখ্যাত লীলা কীর্তন পরিবেশনকারীরা লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন।

বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুধীজন ও সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অনুদানের মাধ্যমে আমাদের এই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

আমি কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি উৎসব পরিচালনা কমিটির পক্ষ হতে আমাদের এই অনুষ্ঠানটিকে সুন্দর ও সাফল্যমন্ডিত করার জন্য আপনাদের সকল প্রকার সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category