২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি| সকাল ১০:০৩| গ্রীষ্মকাল|
Title :
অবশেষে মুক্তি পেল জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিক পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ বাংলা নববর্ষ উদযাপন বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন উৎসব- তারেক শামস খান হিমু কলমাকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত – তারেক শামস খান হিমু মুজিবনগর সরকার গঠন ও স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র মূলত আন্তর্জাতিক মহলে স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ বহিঃপ্রকাশ – তারেক শামস খান হিমু যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক নিহত ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ আপেলের যোগদান মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান মা ও শিশু সংস্থা ফ্লোরিডা (USA)ও স্বপ্নের সিঁড়ি সমাজ কল্যান সংস্থার মাধ্যমে পবিত্র মাহে রমজানের ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ। শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত, শিশুদের ঈদের নতুন জামা আর সালামী দিয়ে মুখে হাসি ফোটালো ‘আমাদের প্রিয় সৈয়দপুর’

যশোরে ঝিকরগাছার কাজল রেখার লিঙ্গ নির্ধারণ নিয়ে ধোঁয়াশা! 29/12/2021

হাফিজুর শেখ ঝিকরগাছা ( যশোর) জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : বুধবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০২১,
  • 52 Time View

যশোরের ঝিকরগাছার কাজল রেখার লিঙ্গ নির্ধারণ নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন মেডিকেল বোর্ড গঠন করে কাজল রেখার লিঙ্গ নির্ধারণ করতে হবে।
তবে, অভিযোগ করা হচ্ছে মেডিকেল বোর্ডে কাজল রেখার পরিবর্তে অন্য নারীকে হাজির করে লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ অবস্থায় পূনরায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করে কাজল রেখার লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়কের নিকট আবেদন জানানো হয়েছে।
সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মৃত আজির বক্সের ছেলে হাফিজুর রহমানের সাথে বিয়ে হয় ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর গ্রামের ইসলাম হোসেনের মেয়ে কাজল রেখার। বিয়ের পরে স্বামী হাফিজুর দাবি করেন কাজল রেখা তৃতীয় লিঙ্গের।
অন্যদিকে কাজল রেখা নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ন নারী দাবি করেন। একপর্যায় কাজল রেখা যশোর আদালতে ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের অভিযোগে হাফিজুরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।
আদালত মামলায় সমন ইস্যু করেন। অন্যদিকে ঝিানইদহ আদালতে কাজল রেখার বিরুদ্ধে মামলা করেন হাফিজুর রহমান। কাজল রেখার দায়ের করা মামলায় চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি দুই পক্ষ আদালতে হাজির হন। এসময় অন্তবর্তীকালীন জামিন পান হাফিজুর।
সবশেষ ২২ সেপ্টেম্বর আদালতে হাফিজুর জানান, কাজল রেখা তৃতীয় লিঙ্গের। তার সাথে দাম্পত্য সম্পর্ক হয়নি। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪র্থ আদালত এক পর্যায়ে হাফিজুরের স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন।
পরে কাজল রেখা জেলা জজ আদালতে রিভিশন আপিল করেন। জেলা জজ আদালত গত ১৩ ডিসেম্বর যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ককে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে কাজল রেখার লিঙ্গ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
গত ২৬ ডিসেম্বর যশোর হাসপাতালের ৫ জন চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড ওইদিনই কাজল রেখার মেডিকেল পরীক্ষা করে। কিন্তু হাফিজুর দাবি করছেন কাজল রেখা তার পরিবর্তে তার বোন অথবা অন্য কোনো নারীকে মেডিকেল বোর্ডে হাজির করে পরীক্ষা করিয়েছেন।
এ জন্য তিনি প্রথমে কাজল রেখাকে শনাক্ত করে ফের পরীক্ষার জন্য জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক বরাবর গত ২৭ ডিসেম্বর আবেদন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে হাফিজুরের আইনজীবী কাজী ফরিদুল ইসলাম বলেন, আদালত কাজল রেখার লিঙ্গ শনাক্তের নির্দেশ দিয়েছেন। যশোর জেনারেল হাসপাতালের পক্ষ থেকে তা করা হয়েছে। কিন্তু কাজল রেখাকে শনাক্ত করা হয়নি বলে দাবি করেন কাজী ফরিদুল ইসলাম।
এ বিষয়ে কাজল রেখার আইনজীবী সরদার সেলিম রেজা বলেন, এসব অভিযোগ আসামির মনগড়া। আদালত যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন সেভাবেই পরীক্ষা করা হয়েছে। কাজল রেখা নিজে ডাক্তারদের নিকট হাজির হয়েছিলেন।
এ বিষয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক আক্তারুজ্জামান বলেন, হাসপাতালের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজল রেখাকে নোটিশের মাধ্যমে ডাকা হয়েছে এবং তিনি এসেছিলেন।
তার মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে। কাজলের পরিবর্তে অন্য নারী এসেছিলেন হাফিজুরের এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরণের কোনো কাগজ তিনি হাতে পাননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category