২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি| সকাল ৯:০৪| গ্রীষ্মকাল|
Title :
অবশেষে মুক্তি পেল জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিক পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ বাংলা নববর্ষ উদযাপন বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন উৎসব- তারেক শামস খান হিমু কলমাকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত – তারেক শামস খান হিমু মুজিবনগর সরকার গঠন ও স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র মূলত আন্তর্জাতিক মহলে স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ বহিঃপ্রকাশ – তারেক শামস খান হিমু যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক নিহত ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ আপেলের যোগদান মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান মা ও শিশু সংস্থা ফ্লোরিডা (USA)ও স্বপ্নের সিঁড়ি সমাজ কল্যান সংস্থার মাধ্যমে পবিত্র মাহে রমজানের ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ। শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত, শিশুদের ঈদের নতুন জামা আর সালামী দিয়ে মুখে হাসি ফোটালো ‘আমাদের প্রিয় সৈয়দপুর’

ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরল তিন ভাইবোন

ওসমান গনি গজারিয়া প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : রবিবার, ডিসেম্বর ২৬, ২০২১,
  • 73 Time View

মুন্সিগঞ্জর গজারিয়া উপজেলা
বান্দরবান ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরল গজারিয়া উপজেলা বালুয়াকান্দি এলাকার জ‌হিরুল ইসলামের ছেলে, মেয়ে ও তাদের খালাতো বোন।
মারা যাওয়া , আহনাফ ও আদনীন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে বান্দরবানে বেড়াতে গিয়েছিলেন খালাতো, মামাতো ভাইবোন ও আত্মীয়-স্বজনসহ ১০ জন। সবার বয়স ১৭ থেকে ২৫-এর মধ্যে। দুদিন আনন্দ-উল্লাসে বান্দরবানের রূপ উপভোগ করলেও তৃতীয় দিনে এসে বাধে বিপত্তি। রোয়াংছড়ির তারাছার বাধরা ঝরনার পাশে সাঙ্গু নদী‌তে গোসলে নেমে লাশ হলেন তাদের তিন জন। নদীতে ডুবে যাওয়া খালাতো ভাইকে বাঁচাতে গিয়েই ওই তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।

জানা গেছে, বুধবার (২২‌ ডিসেম্বর) ফতুল্লা থেকে তারা বান্দরবান যান। ওঠেন শহরের হো‌টেল দ্য প‌্যারাডাইসে। প্রথম দুদিন মেঘলা, নীলাচল, নীল‌গি‌রিসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরেছেন। শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে তা‌দের ফতুল্লা ফেরার কথা। সকালে হো‌টে‌লে ব্যাগ, কাপড় গু‌ছি‌য়ে বের হন নৌকাভ্রমণে। শহরের ক‌্যা‌চিংঘাটা থেকে শ‌্যা‌লো ইঞ্জিনের নৌকা নি‌য়ে চলে যান বেতছড়ার বাধরা ঝরনায়।
সেখানে ঝরনার মোহনায় নদীর স্বচ্ছ পানি দেখে সাঁতার না জানা সত্ত্বেও আট জন নেমে পড়েন। দুই জন নদীর পাড়ে ছিলেন। প্রায় ৪০ মিনিট নদী‌তে গোসল ক‌রে সাত জন তীরে এলেও রয়ে যান খালাতো ভাই তা‌নিশ। তানিশকে ডুবতে দেখে বাঁচা‌তে নেমে পড়েন সবাই। বহু কষ্টে তা‌কে টেনে তানিশকে তুললেও ডুবে যান মো. আহনাফ আকিব, তার ছোট বোন মারিয়াম আদ‌নীন ও তাদের খালা‌তো বোন মারিয়া ইসলাম। প‌রে মারিয়াকে উদ্ধার ক‌রে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নি‌লে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। নিখোঁজ থেকে যান আহনাফ আকিব ভাইবোন। শনিবার পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা তাদেরও লাশ উদ্ধার করেছেন।

সন্তানদের বিপদের কথা শুনে শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ থেকে বান্দরবান ছুটে যান সবার বাবা-মা। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদ‌নীনের ও দুপুর দেড়টার সময়‌ আহনাফের লাশ উদ্ধার করা হয়। ছে‌লেমে‌য়ের লাশ উদ্ধারের পর আর্তনাদ শুরু করেন বাবা জ‌হিরুল ইসলাম ও মা সাইদা শিউলী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category