২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি| সকাল ৯:৫৩| গ্রীষ্মকাল|
Title :
অবশেষে মুক্তি পেল জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিক পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ বাংলা নববর্ষ উদযাপন বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন উৎসব- তারেক শামস খান হিমু কলমাকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত – তারেক শামস খান হিমু মুজিবনগর সরকার গঠন ও স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র মূলত আন্তর্জাতিক মহলে স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ বহিঃপ্রকাশ – তারেক শামস খান হিমু যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক নিহত ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ আপেলের যোগদান মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান মা ও শিশু সংস্থা ফ্লোরিডা (USA)ও স্বপ্নের সিঁড়ি সমাজ কল্যান সংস্থার মাধ্যমে পবিত্র মাহে রমজানের ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ। শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত, শিশুদের ঈদের নতুন জামা আর সালামী দিয়ে মুখে হাসি ফোটালো ‘আমাদের প্রিয় সৈয়দপুর’

ঝালকাঠিতে জাওয়াদের প্রভাব : কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি

শফিকুল ইসলাম সুমন,ঝালকাঠি প্রতিনিধি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৯, ২০২১,
  • 53 Time View

ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে ঝালকাঠি জেলায় গত চার দিন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। এতে ৩৬ হাজার ৪১৮ হেক্টর জমির স্থানীয় জাতের আমন পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে চাষ হওয়া ৮ হাজার ৯৭ হেক্টরের ফসল। জেলার কৃষি বিভাগের একটি সূত্র এসব তথ্য দিয়েছে।

সূত্র বলছে, জেলায় এ বছর ৪৮ হাজার হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের আমন ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৮২ হেক্টরে আবাদ হওয়া উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান কেটে ঘরে তুলেছেন কৃষকরা। তবে বৃষ্টির কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে ৩৬ হাজার ৪১৮ হেক্টর জমির ধান। অনবরত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে এসব ধান মাঠে শুয়ে পড়েছে। তবে ক্ষতির সম্ভাবনা নেই।

চলতি মৌসুমে রবি ফসলের আওতায় খেসারি-মুসুর ডাল, শীতকালীন শাক-সবজি, আলু, মরিচ, চিনা বাদাম ও গম চাষের জন্য কৃষকরা মাঠ প্রস্তুত করে বীজ ফেলেছে। অনাকাঙ্খিত বৃষ্টির কারণে চাষ হওয়া ৮ হাজার ৯৭ হেক্টরে আবাদ আক্রান্ত হয়েছে। চাষ করা হয়েছে মোট ১২ হাজার ১৪৭ হেক্টর জমির ফসল।

কৃষকরা বলছেন বৃষ্টির কারণ জমিতে ধান থাকলে তাতে চিটা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ফসলেরও ক্ষতি হতে পারে।

আক্রান্ত হওয়া ফসলের কতভাগ ক্ষতি হবে, তা আবহাওয়া ভালো হওয়ার পরই নিরুপণ করা যাবে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ফজলুল হক বলেন, কৃষকরা মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। আমরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলছি। আবহাওয়া ভালো হলে সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category