৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি| বিকাল ৩:৩৭| গ্রীষ্মকাল|
Title :
মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র দাখিল কুড়িগ্রাম জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত রামগড় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা কুড়িগ্রামে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার অবশেষে মুক্তি পেল জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিক পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ বাংলা নববর্ষ উদযাপন বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন উৎসব- তারেক শামস খান হিমু কলমাকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত – তারেক শামস খান হিমু মুজিবনগর সরকার গঠন ও স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র মূলত আন্তর্জাতিক মহলে স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ বহিঃপ্রকাশ – তারেক শামস খান হিমু যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক নিহত

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ ও তোষক তৈরির কারিগররা।

অভিশেখ চন্দ্র রায়, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি ।
  • Update Time : শনিবার, নভেম্বর ২০, ২০২১,
  • 62 Time View

অভিশেখ চন্দ্র রায়, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি ।

ঠাকুরগাঁওয়ে শীতের আগমনী বার্তায় লেপ ও তোষক তৈরিতে ব‍্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। শীত এখন দরজায় কড়া নাড়ছে। ঠাকুরগাঁও জেলায় লেপ ও তোষকের দোকান গুলোতে শীতের আগমনী বার্তায় শীতকে নিবারনের প্রস্ততি চলছে সবত্র। হরেক রকমের শীত বস্ত্র বাজারে থাকলেও লেপ ও তোষক ব‍্যবহারে বাড়তি চাহিদা দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের মাঝে।

লেপ ও তোষক তৈরির দোকানগুলোতে কারিগরদের যেন দম ফেলার ফুরসৎ নেই। কারিগররা দোকানে তুলার স্তুুপ করে তার উপর মিশিন দিয়ে ধোনাই করে তৈরি করে চলেছেন লেপ ও তোষক।

তুলা প্রক্রিয়া করা শেষ হলে ঢোকানো হতে থাকে বিভিন্ন রংঙের কাপড়ের তৈরি লেপ ও তোষকের কভারে। সুই আর সুতার গাঁথুনিতে বাঁধা পড়ে যায় সেই তুলা ও কভার। এতেই তৈরি হয়ে যায় লেপ আর তোষক।

সরেজমিনে ঘুরে ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন হাট-বাজারে গিয়ে দেখা যায়, লেপ ও তোষক তৈরির কারিগররা ব‍্যস্ত। কাজের মাঝেই চলছে ক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম কষাকষি। গ্রীষ্মের বিদায়ের পর চলছে হেমন্তকাল। শীতের আগমনী বার্তায় ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে ভোরের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, রাস্তাঘাট ও গ্রামীণ জনপদ।

ধীরে ধীরে নামছে শীত প্রকৃতিতে। ঠান্ডা হাওয়া বইতে শুরু করেছে ঠাকুরগাঁওয়ে। রাতে কাঁথা অথবা লেপ, তোষক ও কম্বল মুড়িয়ে শুইতে হয়। শীতকে নিবারনের জন‍্য মানুষ নতুন ও পুরাতন কাপড় কেনার জন‍্য দোকানগুলোতে ছুঁটছেন।

শীতের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য লেপ, তোষক ও কম্বলের বিকল্প নেই। এখন ব‍্যস্ত সময় পার করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের লেপ ও তোষক তৈরির কারিগররা।

ফেরিওয়ালারাও ফেরি করে গ্রামে গ্রামে লেপ ও তোষক বিক্রি করছেন এবং তৈরি করছেন।

ঠাকুরগাৃওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার (শিতাতপ তুলা ঘরের মালিক ও কারিগর ) শিষনাথ দাস বলেন, মানের ক্রম অনুসারে লেপ ও তোষক ১,০০০-২,০০০ টাকা, জাজিম ২,০০০- ১০,০০০ টাকা, কোলবালিশ ২০০-৫০০ টাকা ও ফাইবার বালিশ ৮৫০ টাকা জোড়া পযর্ন্ত বিক্রি হয়। শীত যত বেশী হবে ততই চাহিদা বাড়বে। এখন আয় রোজগারও ভালো হচ্ছে।

শিষনাথ দাস আরও জানান, বছরের প্রায় আট মাস তেমন কাজ হয় না। এখন শীতকালে কাজের সুযোগ বেশি, আয়-ইনকামও বেশি। তাই চার মাসের পারিশ্রমিক দিয়ে বাকি আট মাস চলতে হয়। তবে কাপড় ও তুলার দাম বেড়ে যাওয়ায় লেপ-তোষকে গুণতে হচ্ছে বেশি দাম। এ বছর তুলার দাম প্রতি কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে, কাপড়ে বেড়েছে গজে ১০ থেকে ২০ টাকা। সেই তুলনায় আমাদের কাজের মজুরী বাড়াতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category