১লা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| ১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি| দুপুর ১:৩০| গ্রীষ্মকাল|
Title :
অবশেষে মুক্তি পেল জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিক পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ বাংলা নববর্ষ উদযাপন বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন উৎসব- তারেক শামস খান হিমু কলমাকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত – তারেক শামস খান হিমু মুজিবনগর সরকার গঠন ও স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র মূলত আন্তর্জাতিক মহলে স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ বহিঃপ্রকাশ – তারেক শামস খান হিমু যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক নিহত ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ আপেলের যোগদান মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান মা ও শিশু সংস্থা ফ্লোরিডা (USA)ও স্বপ্নের সিঁড়ি সমাজ কল্যান সংস্থার মাধ্যমে পবিত্র মাহে রমজানের ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ। শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত, শিশুদের ঈদের নতুন জামা আর সালামী দিয়ে মুখে হাসি ফোটালো ‘আমাদের প্রিয় সৈয়দপুর’

পলাশবাড়ী‌তে কৃষক হত্যা মামলায় জামায়াত নেতাসহ ৮ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, ৮ জন খালাস

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি মোঃ আল-আমিন
  • Update Time : শুক্রবার, নভেম্বর ১৯, ২০২১,
  • 40 Time View

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কলেজ কমিটিকে কেন্দ্র করে এক কৃষককে হত্যার দায়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ আটজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ৮ জন‌কে খালাস দিয়েছে আদালত।

জ্যেষ্ঠ জেলা দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন পলাশবাড়ী উপ‌জেলা প‌রিষ‌দের সা‌বেক চেয়ারম‌্যান নজরুল ইসলম লেবুসহ আবদুর রউফ, জালাল উদ্দিন, গোলাম মোস্তফা, শাহআলম, ফারুক মিয়া, মিজানুর রহমান ও আবু তালেব।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসে পলাশবাড়ী উপজেলার আমবাড়ি গ্রামের একটি কলেজের কমিটিকে কেন্দ্র করে ওই কলেজের অধ্যাপক মো. আব্দুলের সঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম লেবুর বিরোধ দেখা দেয়। পরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নজরুলের লোকজন আব্দুলের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় পাশের সুইগ্রামের কৃষক হাসান আলী আব্দুলকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তিনিও আহত হন। তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় হাসানের বড় ভাই আবুল কাশেম ১০ জনের নামে ও অজ্ঞাতপরিচয় ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার পর নজরুল ইসলামসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনজীবী শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, পুলিশ এ মামলায় ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ সময় ধরে বিচারিক প্রক্রিয়া চলার পর আদালত আটজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও সাত বছর কারাদণ্ড দিয়েছে। এই মামলায় আটজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category