৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| ১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি| রাত ৩:০৮| বর্ষাকাল|
Title :
নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ভূরুঙ্গামারীতে অসহায় বন্যার্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন জহির উদ্দিন ব্যাপারী ঠাকুরগাঁওয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বর্জন খুলনা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হ‌লেন জনাব মুহাম্মদ মতিউর রহমান সিদ্দিকী, পুলিশ সুপার,সাতক্ষীরা নাগরপুর উপজেলা আ’লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতির মৃত্যুতে জননেতা তারেক শামস খান হিমু’র শোক কালিহাতীতে বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ রামগড় পাতাছড়ার গণহত্যার ৩৮ বছরে দোয়া ও মোনাজাত এ নিয়ম ভাঙতে হবে বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ময়মনসিংহ আগামীকাল শুভ উদ্বোধন পূবাইলে ইজিবাইক চোর চক্রের নারীসদস্যসহ চারজন গ্রেফতার

চাটখিল সরকারি বালিকা বিদ্যালয় চলছে ৪ জন শিক্ষক দিয়ে।

মোঃ ইকবাল মোরশেদ ;: স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : শুক্রবার, নভেম্বর ১৯, ২০২১,
  • 68 Time View

নোয়াখালীর চাটখিলের নারী শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপীঠ চাটখিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকের অভাবে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এখানে ১০ শিক্ষকের বিপরীতে সাড়ে ৩০০ শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছেন মাত্র চারজন শিক্ষক।

অভিভাবকরা জানান, চার শিক্ষকের পক্ষে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না। তাই খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে কোনো রকমে চলছে পাঠদান। এতে প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ১৯৬৯ সালে চাটখিল উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৮৩ সালে উপজেলার একমাত্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে এটি জাতীয়করণ হয়। এরপর থেকে শিক্ষক সংকট লেগেই রয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের ১০ পদের মধ্যে গণিতে দুজন, ব্যবসায় শিক্ষায় একজন ও বাংলায় একজন শিক্ষক রয়েছেন। বাকি ছয়টি পদ শূন্য রয়েছে।

শূন্য থাকা পদের মধ্যে, ইংরেজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও রয়েছে। এ কারণে খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে নেওয়া হচ্ছে ক্লাস। তবে অতিথি শিক্ষকের ক্লাসে সন্তুষ্ট নয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে।

আবুল কালাম নামে এক অভিভাবক বলেন, সরকারি বিদ্যালয় হওয়ায় সন্তানকে ভর্তি করেছি। কিন্তু বিদ্যালয়ে শিক্ষক নেই বললেই চলে। অতিথি শিক্ষক দিয়ে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। অথচ তারা দক্ষ ও অভিজ্ঞ নন। বিশেষ করে ইংরেজির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের শিক্ষক না থাকায় মেয়েরা ইংরেজিতে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. এমরান হোসেন বলেন, শিক্ষক না থাকায় ক্লাস নিতে হিমশিম খাচ্ছি। শিক্ষক সংকটের কথা একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, করোনার কারণে সব ধরনের নিয়োগ বন্ধ ছিল। শিগগিরই সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হবে। তখন সব শূন্য পদ পূরণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category