৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ| ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি| বিকাল ৩:৫৪| গ্রীষ্মকাল|
Title :
মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র দাখিল কুড়িগ্রাম জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত রামগড় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা কুড়িগ্রামে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল সহ ২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার অবশেষে মুক্তি পেল জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিক পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ বাংলা নববর্ষ উদযাপন বাঙালির অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন উৎসব- তারেক শামস খান হিমু কলমাকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দঘন মুহূর্ত – তারেক শামস খান হিমু মুজিবনগর সরকার গঠন ও স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র মূলত আন্তর্জাতিক মহলে স্বাধীন বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ বহিঃপ্রকাশ – তারেক শামস খান হিমু যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক নিহত

আমার সবচেয়ে বড় ভুল ছিল বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে কথা বলা : কাদের মির্জা।

মোঃ ইকবাল মোরশেদ ':: স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : বুধবার, নভেম্বর ১০, ২০২১,
  • 70 Time View

বছরখানেক ধরে রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে প্রায় নিয়ম করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বড় ভাই ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে আসছিলেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

কিন্তু রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে তো কিছু নেই! সে কথা আবার প্রমাণ করলেন কাদের মির্জা।
এখন তিনি সুর পাল্টে বলছেন, তার সবচেয়ে ভুল হয়েছে বড় ভাই ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে কথা বলা।
‘সত্যবচনের’ বর্ষপূর্তিতে মঙ্গলবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ কথা বলেন।

২০ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের ফেসবুক লাইভে কাদের মির্জা বলেন, ‘২০২০ সালের ৯ নভেম্বর আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘোষণা করি, আমি যত দিন বেঁচে থাকব,
অন্যায়, অবিচার ও অপরাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলব। সেই সত্যবচনের ব্রত নিয়ে দীর্ঘ একটি বছর পার করলাম।’

ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য অনুতপ্ত জানিয়ে কাদের মির্জা বলেন, ‘মানুষ ভুল করবে, এটাই স্বাভাবিক; কেউ ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়।
গত এক বছরে আমার সবচেয়ে যে ভুল ছিল, তা হলো আমি আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছি। বাংলাদেশে একজন সফল, সৎ রাজনীতিবিদ জননেতা ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য আমি সত্যি অনুতপ্ত।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই কাদের মির্জা। ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী-৫ আসনের (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা) সংসদ সদস্য।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণার সময় গত জাতীয় নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগসহ আওয়ামী লীগ ও দলীয় এমপিদের বিরুদ্ধে অপরাজনীতির অভিযোগ তুলে আলোচনায় আসেন কাদের মির্জা।
এরপর তার ওই কথাকে ‘সত্যবচন’ অভিহিত করেন অনেকে। জাতীয় রাজনীতিতেও কাদের মির্জার কথাবার্তা নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হয়। তবে এতে কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিভক্তি দেখা দেয়। এর জেরে কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়।

কাদের মির্জা বলেন, ‘সাহস করে সত্য বলার এই সংগ্রামে দেখলাম, বর্তমানে বাংলাদেশে দুর্নীতিমুক্ত কোনো মন্ত্রণালয় কিংবা বিভাগ নেই। প্রায় সব কটি দপ্তরই কোনো না কোনোভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত।
সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত হলো পুলিশ প্রশাসন। আমার প্রতিবাদের পর দুর্নীতিগ্রস্ত সাবেক সেতুসচিব বেলায়েতের এক্সটেনশন (মেয়াদ বৃদ্ধি) না হওয়াও দুর্নীতিবাজ আমলাদের জন্য একটি হুঁশিয়ারি সংকেত।’

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ভোট ও নির্বাচনের পদ্ধতি নষ্ট করে দিয়েছিল। শেখ হাসিনা জনগণের সব অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ ভোটাধিকারও প্রতিষ্ঠা করেছেন। জিয়াউর রহমানের সময়ে মানুষের ভোটাধিকার নষ্ট করা হয়েছিল। তারা আবার (বিএনপি) ভোটাধিকারের কথা বলে। বিএনপির নেতৃত্ববিহীন আন্দোলন অতীতেও সফল হয়নি, এখনো হবে না।’

কাদের মির্জা বলেন, ‘দেশ এখন সংসদীয় পদ্ধতিতে চলছে, প্রেসিডেন্সিয়াল পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনা ৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবেন।
দেশের যে কোনো সংসদীয় আসনেও তিনি নির্বাচন করলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। যতদিন বেঁচে থাকব, সাহস করে সত্য কথা বলব এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলেই যাব।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category