
মোকলেছুর রহমান দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
দাকোপ উপজেলার কয়েকটি ঘাটে অনিয়ম দুর্নীতি দিন দিন বেড়েই চলেছে। চরম ভোগান্তিতে পোহাতে হচ্ছে পথচারী যাত্রীদের।
খুলনার দাকোপ উপজেলার কয়েকটি ঘাটে চরম অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে।
জানা যায়, দাকোপ উপজেলার বাজুয়া টু দিগরাজ,লাউডোব টু মোংলা, ঘাটে চাঁদা বাজি সহ যাত্রীদের সাথে ভাড়া নিয়ে তর্কবিতর্কের প্রমান মিলেছে।
গত ইং ২মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার বাজুয়ার দিগরাজ ঘাটের ওপার উপস্থিত হয়ে দেখা যায়, যাত্রীদের সাথে তর্কবিতর্ক এক চিত্র।
ছোট একটি ব্যাগে গুনতে হচ্চে ৫০ টাকা। মোংলা উপজেলা হতে আসা এক যাত্রী জয় প্রকাশ সাংবাদিকদের জানান,
আমি প্রতি সপ্তাহে এক দু বার এ ঘাট পার হই। কিন্তু, মাঝে মাঝে এরা যে ব্যবহার করে, তা মেনে নিতে কষ্ট হয়।
তাছাড়া এই ঘাটের মালিক জিয়া বেশি টাকা দিয়ে ঘাট ডেকে নিয়ে এমন ব্যবহার সকলের সাথে করেন।
জয় প্রকাশ আরো বলেন, আমি বাংলাদেশের অনেক জায়গায় ঘুরেছি কিন্তু,এই দিগরাজ ঘাটের মত ঘাট দেখিনি।
এই ঘাটে কোন খেওয়ার নৌকা নাই, সব জলদী, আবার সব খেওয়ার নৌকা, কোন জলদী নাই ! আবার জন প্রতি ১০ টাকা। হাতে ব্যাগ থাকলে রেহাই নেই।
এই যে নিয়ম করা হয়েছে,নৌকায় উঠলেই ১০ টাকা। এটা আমার মা জননী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে বলতে চাই,
তিনি ঠিক এভাবেই বলেন,মাগো এ দেশ নদী মাতৃক দেশ, নৌকায় ও জলদী যদি সমান ভাড়া নির্ধারণ করা হয়, তাহলে আমরা কোথায় যাবো?
জয় প্রকাশের কথা শুনে দাড়িয়ে থাকা হলো কিছুক্ষন, দেখা গেল আরো এক অজানা চিত্র, মাটর সাইকেল উঠলে ইচ্ছামত ভাড়ার দাবি।
পরবর্তীতে ঘাট মালিক জিয়ার সাথে কথা হয় তিনি জানা যায়, লোক জন চলাফেরা খুব কম, খুব সমস্যা হচ্ছে। সরকারী বিধি নিষেধ মেনেই ঘাটের আদায় চলছে। এখানে কোন অনিয়ম হচ্ছে না।
পরে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানীয় দল লাউডোব ফেরিঘাট এলাকায় অবস্থান করেন, সরজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখা যায়, যাত্রীদের সাথে অসাধু আচরণ, মাটর সাইকেল ফেরিতে উঠালেই ৫০ টাকা।
মিনি পিকাপ, পিকাপ, ট্র্যাক,বড় ট্র্যাক সহ অন্যান্য যান উঠলে শুরু হয় বড় ধারনের ভাড়ার দাবি।জোর করে বাধ্য করা হয়, ভয় ভীতি দিয়ে নেওয়া হয় অর্থ।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা জানার জন্য সাংবাদিকরা উপস্থিত হয় কালেকশন টেবিলের সামনে,ওই সময় উপস্থিত টেবিলের চেয়ারে বসেছিলেন, কালাম নামে এক ব্যক্তি। তিনি কথা বলতে ইচ্চুক নয়।
পরে পাশে থাকা বাশার নামের এক ব্যক্তি শুধু শুধু তর্কে জড়িয়ে পড়েন। তিনি না জেনে না শুনে, অতীত নিয়ে সাথে থাকা সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে আপমান করার চেষ্টা করেন। এবং কোন কথা বলেতে রাজি হয়নি।
পরে এলাকা বাসি ও বাজার সংলগ্ন জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ ঘাট সম্পর্কে কথা বললে বিপদ। কেহ ওদের সম্পর্কে কথা বলবে না।
নাম প্রকাশে স্থানীয় গ্রাম্য এক চিকিৎসক তিনি বলেন, এ ঘাটে রাজ্জাক, বাশার, ইসরাফিল, বিল্লাল কামাল এরা দেখা শোনা করে।
এরা এই বাজারের সব, এদের নাম যে মুখে নিবে তার বিপদ হবে। কেহ এদের বিরুদ্ধে কথা বলবে না।
বাজুয়া ও লাউডোব ঘাটের অনিয়ম অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্তের দাবি ও
বাজুয়া ও লাউডোব ইউনিয়ন বাসি দাকোপ উপজেলার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।