নিজস্ব প্রতিবেদক:বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন- ধর্মকে যারা ব্যক্তিস্বার্থ ও পেশাগত লাভের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, তারাই সমাজে বিভাজন ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে এমন কোনো বিধান নেই, যা কোনো ধর্ম পালনে বাধা দেয় বা ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
৯ মে শনিবার দুপুরে নাগরপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য রবিউল আওয়াল লাভলু, এমপি এর বাসভবনে আয়োজিত হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন- মানুষের প্রকৃত পরিচয় বংশ কিংবা পরিচিতি দিয়ে নয়, জ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধের মাধ্যমেই একজন মানুষ পরিপূর্ণতা অর্জন করে।
দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়, এমন যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ভারতে হিন্দু উগ্রবাদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন- ভারতবর্ষে যে উগ্রবাদী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তার নেতিবাচক প্রভাব যেন বাংলাদেশে না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বাংলাদেশের ঐতিহ্যই হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থান।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন নাগরপুর-দেলদুয়ার আসনের সংসদ সদস্য রবিউল আওয়াল লাভলু, এমপি, নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান হবি, নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি কমিটির সভাপতি রমেন্দ্র নারায়ন শীল, সাধারণ সম্পাদক রামেন্দ্র সুন্দর বোস এবং উপজেলা বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষ চক্রবর্তী সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও প্রধান সম্পাদক : মোঃ শফিউল ইসলাম শফিক
সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী মোস্তফা রুমি, এলএল. বি.(অনার্স), এলএল. এম.
ফোন: 01720428749, 01715672097.
Copyright © 2026 Swadesh Kontho Protidin. All rights reserved.