২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| ১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৩শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি| সকাল ৭:০৮| বসন্তকাল|
Title :
গণহত্যা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে নাগরপুরে প্রস্তুতিমূলক সভা লীলা কীর্তনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির ৬৪তম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান নাগরপুর সরকারি কলেজে কর্মচারীদের মাঝে ছাত্রশিবিরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের নাগরপুরে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বেকড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নাগরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুর রহমান ঝন্টু এর উদ্যোগে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে ফাহিমা আক্তার মুকুলকে দেখতে চান শরীয়তপুরের জনগণ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নাগরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য হলেন জননেতা মোঃ মাইনুল আলম খান কনক নাগরপুর কেন্দ্রীয় কালীবাড়িতে ৬৪ তম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান শুরু

চীনের এক কিশোর তার চাইতে দশ বছর বয়সী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • Update Time : মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২২,
  • 219 Time View

এক বিধবা মহিলার প্রেমে পড়ে।
তাদের ভালোবাসাটা ছিল বেশ
গভীর!
কিন্তু চীন দেশে তখন বয়সের এই অসমতা
কোনভাবেই মেনে নিত না।
তারা দুজন দুজনকে গভীরভাবে নিজের
করে চায়!
………………..
কোন এক প্রভাতে সব কিছু ছেড়ে দুজন
পাড়ি জমালো
দূর একটা পাহাড়ের চূড়ায়।
এতটাই চূড়া যেখানে মানুষজন ভয়ে
উঠেনা।
দুজনেই প্রথম দিকে বেশ কষ্টেই
দিনগুলো কাটাচ্ছিল।
এমনও হয়েছিল ঘাস,লতাপাতা খেতে
হয়েছিল তাদের।
কোন একদিন প্রিয় মানুষটার কষ্ট দেখে
কিশোরটি বললো…
এখানে কিছুই নেই।
না আছে খাবার ব্যবস্থাটুকুও।
তোমার খুব কষ্ট হচ্ছে তাইনা?
প্রিয় মানুষটি হাসে আর কাঁধে মাথা
রেখে বলে
“তুমি যতক্ষণ পাশে আছো আমার সবকিছু
আছে “!
টোনাটুনির সংসার চলতে লাগলো।
লোকালয়ে যেত স্বামী। খাবারের
ব্যবস্থা করতো কাজ করে।
কিন্তু নিদির্ষ্ট একটা সময় স্বামী
কোথায় যেত? ঠিক কি করতো ?
স্ত্রী বুঝতে পারতো না।
কোনদিন প্রশ্নওও করেনি যদি রাগ করে।
পঞ্চাশ বছর পর।
একদিন বৃদ্ধ স্বামী তার স্ত্রীকে বলছে..
“চলো এবার আমরা লোকালয়ে ফেরৎ
যাই।
এখন আর সমস্যা হবেনা “”!
স্ত্রী বলেন,
“কিন্তু আমিতো পঞ্চাশটা বছরে
কোনদিন নিচে নামিনি।
এতটাই উপরে চূড়াটা যে নিচের দিকে
তাকালেই ভয় করে।
কি করে নামবো আমি? ”
বৃদ্ধ স্ত্রীর হাতটা ধরে পাহাড়ের
একপাশে নিয়ে গেল।
স্ত্রী দেখল উপর থেকে নিচে পযর্ন্ত
বিশাল সিঁড়ির ভাঁজ কাটা।
যেখানে প্রায় ছয় হাজার সিঁড়ি হবে।
স্ত্রী স্বামীর দিকে তাকায়।
স্বামী বলেন..
“সারাজীবন ভালোবাসা ছাড়া
তোমাকে কিছুই দিতে পারিনি।
আমার জন্যই তো তুমি সব কিছু ছেড়ে
এসেছো।
তাই ভাবলাম বৃদ্ধ বয়সটাতে আমরা
লোকালয়ে ফেরৎ যাবো সবার কাছে।
কিন্তু তুমিতো পারবে না এই পাহাড়
থেকে নিচে নামতে।
তাই সিঁড়ি বেয়ে যাতে নিচে
নামতে পারো পঞ্চাশটা বছর প্রতিদন
আস্তে আস্তে এই সিঁড়িগুলো কেটেছি
“!
স্ত্রী কিছু বলেনি স্বামীর দিকে
তাকিয়ে রইল ভালোবাসার দৃষ্টিতে!
গল্পটা কেবল গল্পই নয়,
চীনের একটা প্রচীন সত্য ঘটনা।
ভালোবাসাগুলো সবসময়ই
সারপ্রাইজিংয়ের মধ্যে সুন্দর থাকে।
প্রিপারেশন নিয়ে ভালোবাসা
যায়না।
.
এখন সারপ্রাইজিং ভালোবাসাগুলো
নেই।
নিয়মিত শপিং, ফুর্তি, দামী ফোন
কিংবা অভিজাত হোটেলে ডিনার
এসব পেলেই পেয়ে যায় ভালোবাসা।
কিছু থাকেনা অবশিষ্ট।
যা দেখে সন্তুষ্ট হবে ভালোবাসার
মানুষটি “”!!!
আসলে এই যুগে ভালোবাসা বলতেই
কিছু নাই….!!!

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category