
রুহুল আমিন, যশোর: যশোর সদর উপজেলায় প্রায় ২০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৫ হাজার ৩৬৩ জন শিক্ষার্থীদের করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ খানেক পর থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে।রবিবার (২৩ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম ডোজের টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২৩ ডিসেম্বর থেকে সদর উপজেলায় শিক্ষার্থীদের করোনা টিকা দেয়া শুরু হয়। উপজেলার প্রায় ২০০টি মাধ্যমিক স্কুল, মাদরাসা, কলেজ, কারিগরি কলেজ ও কওমী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ছিলো ৬৭ হাজার ১১৩ জন। তার মধ্যে ৬৫ হাজার ৩৬৩ জন শিক্ষার্থী প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছে। এক হাজার ৭৫০ জন এখনো টিকা নেয়নি। ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হয়েছে।শতভাগ টিকা নিশ্চিত করতে চৌগাছার পথ অনুসরণীয়শিক্ষার্থীদের জন্ম সনদ ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যায়নপত্র দেখে টিকা দেয়া হয়েছে।যশোর এম এম কলেজ, যশোর সরকারি মহিলা কলেজ, যশোর সরকারি কলেজ, যশোর শিক্ষাবোর্ড কলেজ, যশোর জিলা স্কুল, যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, যশোর সরকারি পলেটেকনিক কলেজ, বিসিএমসি কলেজ, রুপদিয়া ওয়েলফেয়ার, পদ্মবিলা ফাজিল মাদরাসা ও লেবুতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে সিভিল সার্জন ও শিক্ষা অফিসের তত্ত্বাবধানে টিকা দেয়া হয়।
সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এম.কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে সদর উপজেলা শিক্ষার্থীদের প্রথম ডোজের টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে যারা বাদ পড়েছে তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কেএম গোলাম আযম বলেন, ‘প্রায় মাসব্যাপী ধরে শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম চলছে। সদর উপজেলা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় টিকার মজুদও বেশি ছিলো। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে টিকাদান কেন্দ্রের সংখ্যাও বেশি করা হয়েছিলো। চাহিদা অনুযায়ী প্রায় সব শিক্ষার্থী প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছে। অল্প কিছু বাকি আছে। সপ্তাহ খানেক পর থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হবে। ওই সময় বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা যোগাযোগ করলে তাদের প্রথম ডোজ দেয়া হবে। প্রাপ্ত বয়স্ক সকল শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনা হবে। কেউ বাকি থাকবে না।’